আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : প্রফেসর আব্দুল্লাহ সাঈদ গত ৫ই সেপ্টেম্বর রাতে, হাওযা ইলমিয়া কোমে’র জামেয়াহ মুদাররিসীনে’র সদস্য হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন ‘গারাভী’র সাথে সাক্ষাতকালে এ কথা ঘোষণা করে বলেছেন যে, অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ৫ লাখ মুসলমান বসবাস করে। এ সংখ্যার প্রতি দৃষ্টি রেখে বলা যায় যে, মুসলমানদের এ সংখ্যা এদেশের সাথে ইসলামি দেশসমূহের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার রাখতে সক্ষম।
তিনি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান সফর এবং তেহরান ও কোম নগরী’র বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন : ইরানে শিক্ষা বিষয়ক যে ক্ষেত্র রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে আমি আশাবাদী যে, শিক্ষা ক্ষেত্রে ইরান ও অস্ট্রেলিয়া পরস্পরের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হতে পারে।
মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষক বলেন : বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম সমাজ এদেশের ধর্মীয় চিন্তাবিদ ও নেতা প্রশিক্ষণ দানের বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশী চিন্তিত; যাতে মুসলমানদের স্বকীয়তা মুছে না যায়। অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি জ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে, কিন্তু যা কিছু অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম সমাজের জন্য প্রয়োজন তা হচ্ছে একটি হাওযা ইলমিয়া প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি আগামীতে হাওযা ইলমিয়া প্রতিষ্ঠা করার কথা উল্লেখ করে বলেন : এ বিষয়ে আমরা বিশ্বাসী যে, একটি বিশেষ মাযহাবের প্রতি গুরুত্ব দিলে চলবে না বরং ইসলামি বিভিন্ন মাযহাবের সমন্বয়ে এ হাওযা ইলমিয়া প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে তারা পরস্পরের পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে জ্ঞানার্জন এবং তা কাজে লাগাতে সক্ষম হয়।
প্রফেসর আব্দুল্লাহ সাঈদ বলেন : হাওযা ইলমিয়া প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নয়, বরং ইসলামের সম্মুখে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, আর এ হাওযা ইলমিয়ার অস্তিত্ব ঐ সকল চ্যালেঞ্জের জবাব দানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।#